অ্যালকোহল ও ঘুম: ভোরের দুঃস্বপ্নের গোপন ফাঁদ
অ্যালকোহল কীভাবে স্বাভাবিক ঘুম ধ্বংস করে এবং ভোরের দিকে তীব্র দুঃস্বপ্নের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মূল বৈজ্ঞানিক শিক্ষণীয়
- অ্যালকোহল শরীরের স্বাভাবিক ও স্বস্তিদায়ক ঘুম নষ্ট করে দেয়।
- রাতের শেষ ভাগে "রেম রিবাউন্ড"-এর কারণে অতিমাত্রায় ভীতিজনক স্বপ্ন দেখা যায়।
- প্রাকৃতিক ও সুস্থ ঘুমের জন্য কোনো কৃত্রিম উপশমের ওপর নির্ভর না করাই শ্রেয়।
অনেকে মনে করেন কোনো উপশমকারী বা অ্যালকোহল ঘুম আনতে সাহায্য করে, কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে এটি কেবল শরীরকে অচেতন করে, প্রকৃত স্বাস্থ্যকর ঘুম দেয় না।
এটি রাতের প্রথম ভাগের স্বাভাবিক রেম ঘুমকে জোর করে থামিয়ে রাখে। কিন্তু শেষ রাতের দিকে যখন এর প্রভাব কমে আসে, তখন মস্তিষ্ক হারিয়ে যাওয়া রেম ঘুম পুষিয়ে নিতে একযোগে তীব্র রেম ঘুমে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
এই আকস্মিক চাপ এবং শরীরে পানির ঘাটতির কারণে ভোরের দিকে চরম অস্বস্তিকর ও ভীতিকর দুঃস্বপ্ন দেখার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
শান্তিদায়ক শ্বাসক্রিয়া
দ্রুত হৃদস্পন্দন শান্ত করতে এবং মনের অস্থিরতা কমাতে মৃদু ছন্দের শ্বাস
গবেষণা ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের সূত্র
আরও শান্তিময় পাঠ
ক্যাফেইন ও ঘুম: বিকালের চায়ের প্রভাব মাঝরাতেও কেন থাকে
ক্যাফেইন কীভাবে ঘুমের স্বাভাবিক তাগিদকে ঢেকে রাখে এবং রাতের রেম ঘুমকে বাধাগ্রস্ত করে।
দেরিতে ভারী খাবার ও উদ্ভট স্বপ্ন: বিপাক ক্রিয়ার সাথে ঘুমের যোগাযোগ
ঘুমানোর ঠিক আগে অতিরিক্ত বা মশলাদার খাবার কেন শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে অস্থির স্বপ্ন তৈরি করে।
স্বপ্নের স্নায়ুবিজ্ঞান: রেম (REM) ঘুমে মস্তিষ্কে কী ঘটে
দ্রুত চোখের চলাচল বা রেম ঘুমের সময় মস্তিষ্ক কেন প্রাণবন্ত স্বপ্নের দৃশ্য তৈরি করে এবং তা কীভাবে মানসিক প্রশান্তিতে সাহায্য করে।